পোকোনোস ঘুরে এলাম জুন 30, 2009
Posted by পাপ্রদজ in দিনলিপি.add a comment
গত শনিবার (২৭শে জুন, ২০০৯) ঘুরে এলাম পেনসিলভ্যানিয়া (Pennsylvania) রাজ্যের পোকোনোস (Poconos) থেকে। মূলতঃ এখানকার একটি গ্রুপের সাথে বনভোজনের উদ্দেশ্যেই যাত্রা। তবে ওয়েবে এই স্থাণটি সম্পর্কে জেনে আমার মনে হচ্ছিল এটা যতটুকু বনভোজনের স্পট এর চেয়ে দর্শনীয় স্থাণ।
বাঙালী সবসময়ই টাইম নেয় যেকোনো কাজে। ফলে সাড়ে আটটার বাস যাত্রা গন্তব্যের দিকে রওয়ানা দেয় প্রায় এগারটার দিকে। জর্জ ওয়াশিংটন ব্রীজ পেরিয়ে নিউ জার্সীর উপর দিয়ে পেনসিলভ্যানিয়া পৌঁছাই প্রায় দুপুর ২টার দিকে। পথে একটা বিষয় বার বার লক্ষ্য করছিলাম যে, যতই গন্তব্যটির কাছে পৌঁছাচ্ছিলাম ততই ঘন ঘন বৃষ্টি পড়ছে। আঁচ করতে পারছিলাম সেসময় যে, আমরা রেইন ফরেস্টের দিকে এগোচ্ছি। একটু বৃষ্টি পড়ে আবার এই যায় চলে। এ যেন মেঘ আর সূর্যের এক লুকোচুরি খেলা। বাসের ভিতর থেকে আকাশটা অবশ্য ভালো বোঝা যাচ্ছিল না। তবে একেবারে সামনের সিটে বসার ফলে সামনের দিগন্তে একবার মেঘ একবার সূর্য আমার চোখে পড়ছিল।
যা হোক, বনভোজনের জন্য যেহেতু এসেছি, তাই লোকজন স্বাভাবিকভাবেই খাবারের জন্য ভীষণ মরিয়া হয়ে ছিল। যদিও বাসে নাস্তা দেয়া হয়েছিল, কিন্তু দুপুর দুটার দিকে বাঙালীর পেট ভাতের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। ফলে ঘোরাঘুরি খাবারের পরে করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। আসলে আমার নিজেরও ক্ষুধায় পেট চো চো করছিল। উদ্যোক্তাগণ সহকারে অন্যান্যদের খাবার শেষ করতে করতে প্রায় সাড়ে তিনটা বেজে যায়।
এরপর উদ্যোক্তাগণের মধ্যে একজন আমাদের সকলের উদ্দেশ্যে জানালেন পোকোনোসের Bushkill Falls (যাকে পেনসিলভ্যানিয়ার নায়াগ্রা বলা হয়) এ ঢুকতে প্রত্যেকের দশ ডলার করে লাগবে। উনি একে একে সকলের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করলেন। আমরা প্রায় চারটার দিকে ঢুকলাম জলপ্রপাতের উদ্দেশ্যে। এখানে একটা বিষয় বলে রাখা ভালো, আমরা কিন্তু খাবার-দাবার সেরেছি মূল পোকোনোসের সামনে পিকনিক অংশটিতে। মূল জায়গায় এবার আমরা ঢুকলাম।
ওরে বাবা! এ কেমন কাঠামো! এর আগে আমার নায়াগ্রা জলপ্রপাত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু এই জলপ্রপাত সেটার চেয়ে ভিন্ন। পাহাড়ে-পর্বতে ঘেরা, রেইন ফরেস্টের মধ্যে, চিকন করে আসা জলের স্রোত আসছে আর ঝরে পড়ছে অনেক নিচে। লোকজনের ঘোরার জন্য তারা পাহাড়ের সাইডগুলো দিয়ে সিঁড়ির মতো করে দিয়েছে যাতে জলপ্রপাতটার চারপাশ দিয়ে ঘোরা যায়। আমাদের মধ্যে মধ্যবয়স্কী লোকজন ছিল বেশী। তাই একটু-আধটু ঘুরেই পা ব্যথা হয়ে যায়।
এমন করে ঘোরার মাঝেই হঠাৎ করে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। এমনই বৃষ্টি যে লোকজন সব যে যার জায়গায় থেমে যায়। বলে রাখা ভালো, এতক্ষণ যে আমরা ঘুরছিলাম তখনও বৃষ্টি একটু-আধটু পড়ছিল। কিন্তু এবার হঠাৎ করেই মুষল ধারায় বৃষ্টি শুরু হয়। আমার সাথের গাইডটাকেই মাথায় ঠেকিয়ে যতটুকু পারি বৃষ্টি থেকে রেহাই পাবার চেষ্টা করি। বৃষ্টি একটা সময় ক্ষীণ হয়ে আসলে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে আবার উপরে উঠে ফেরত যাওয়া শুরু করি। পেছনে তাকিয়ে দেখি কিছু লোক এখনো দাঁড়িয়ে আছে এই ভেবে বৃষ্টি একেবারে থামবে। কিন্তু তাদের কে বোঝাবে এটা যে রেইন ফরেস্ট!
যা হোক, ফেরত গিয়ে যখন বের হয়ে যাব তখন আরো দুইজন সমবয়সীকে দেখে জানতে চাইলাম তারা কি পুরো জায়গাটা ঘুরে দেখেছে কিনা নাহয় তো দশ ডলারই বৃথা। ঘোরা হলো না এক ঘন্টাও। ওরাও বলল, ওরা পুরোটা স্থাণ ঘোরেনি। ফলে ওদের সহিত গেলাম সাইডগুলো মিলে পুরো এলাকাটা ঘুরে দেখতে। আমার মাকে পাঠিয়ে দিলাম ফিরে যাবার জন্য যাতে বিশ্রাম নিতে পারে। বয়স্ক বেশীরভাগ লোকই ফিরে গেল আর ইয়াং ছেলে-পেলে আমরা কয়েকজন গেলাম পুরো ট্রেইলটা ঘুরে দেখতে।
এবার প্রায় বনের ভেতরেই ঢুকে গেলাম। মনে হচ্ছিল জীবন্ত কোনো প্রাণীর দেখা মিলবে। কিন্তু ভাগ্য খারাপ, কিছুই চোখে পড়ল না। আর আমার যেহেতু পায়ে স্যান্ডেল ছিল সেহেতু ভয়ে ভয়েও ছিলাম। কখন জানি কিছু কামড় দেয় কিনা। অনেকখানি গিয়ে কিছু লোক দেখলাম। এই সময়টায় আমরা প্রায় হারিয়েই গিয়েছিলাম। ওসব লোকদের কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম বের হবার পথ কোথায়। তারা দেখিয়ে দিল এবং জানালো, আমাদের বের হতে হতে প্রায় ঘন্টাখানেক লাগবে। ম্যাপ/গাইড দেখে বুঝলাম, পুরো এলাকাটা ঘুরতে আসলে ৩-৪ ঘন্টা লাগবে। ফলে পশ্চিম সাইডটাতে যাওয়ার প্ল্যান বাদ দেই। এবারের ঘোরার সময়ও খানিকক্ষণ সময় পরপর বৃষ্টি হয়। এতে আমার টি-শার্ট প্রায় পুরোটাই চুবে গেছে। শীত যদিও লাগছিল তবুও এমন একটা অভিজ্ঞতার স্বাদ ভালোই লাগছিল।
ফেরত আসার সময় একটা জায়গায় দেখলাম (যেখান থেকে জলের স্রোত আসছে এবং জল খুবই কম) লোকজন পয়সা ফেলছে আর উইশ করছে। আমাদের মধ্যেও দু’একজন নিজেদের উইশ করল। এরপর ব্যাক টু আমাদের পিকনিক স্পট।
এসে দেখি বড়রা গান-বাজনায় মেতে গেছে। পুরস্কার দেয়া-নেয়াও হচ্ছে। বাস ড্রাইভাররাও তাগাদা দেয়া শুরু করেছে। টাইম ওদের শেষ হবার পথে। ফলে সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে আমরা রওয়ানা দিলাম নিউ ইয়র্ক সিটিতে আমাদের নিজ নিজ বাসার উদ্দেশ্যে। পথে চলল গান/ডিভিডি।
আনন্দ-হই-হুল্লোরের সাথেই দিনটা কাটিয়ে ভালোই লাগল।
অনেকদিন পর…আইপিএল নিয়েই লিখছি জুন 1, 2009
Posted by পাপ্রদজ in স্ব-মন্তব্য.add a comment
অনেকদিন পর ব্লগে লিখছি। সামনের কিছু মাস নিয়মিত লেখার চেষ্টা করব।
গত মাসখানেক ধরে চললো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ। এ বছরের খেলায় ছিল অনেক উত্তেজনা। রোহিত শর্মা আর যুবরাজ সিং-এর হ্যাট্রিক, পাঞ্জাব দলের অনেক কাছে গিয়েও সেমি-ফাইনাল মিস, গিলক্রিস্টের ঝড়ো ব্যাটিং দিল্লীর বিরুদ্ধে—সব মিলিয়ে এক মজার অনুভূতি নিয়ে ভরপুর ছিল এবারের আইপিএল।
কিন্তু সবকিছুর মাঝেও এবার একটি বিষয় আলোচনায় চলে আসছিল আইপিএলকে নিয়ে। আসলেই কি এবার ম্যাচ পাতানোর মতো ঘটনা ঘটেছিল? কেনইবা কোলকাতা নাইট রাইডার্স একের পর এক ম্যাচ হারলো সহজ সহজ ক্যাচ ফেলে দিয়ে? গতবারের চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালস এবার সেমিতেই খেলার চান্স পেল না কেন? পুরো সিরিজে দাপটের সাথে খেলে সেমিতে এমন ন্যাক্কারজনক পরাজয় বরণ করতে হলো কেন দিল্লীকে? হ্যাঁ, ক্রিকেটে (বা যে কোনো ক্রীড়াতেই) ভাগ্যের একটা প্রভাব আছে। কিন্তু সেই ভাগ্য এবার এমন অপ্রত্যাশিতভাবে ইন্টারেস্টিং ঘটনাগুলো ঘটালো কেন?
ললিত মোদিকে নিয়ে অনেক কথাই উঠেছে এবার। উনি কি আসলেই ম্যাচগুলোকে ফিক্স করে রেখেছিলেন দর্শকদের আনন্দদানের জন্য?
শুধুমাত্র সময়ই বলে দিতে পারে আমাদের এর উত্তর…
তাহলে আসুন, চ্যালেঞ্জ! মার্চ 9, 2009
Posted by পাপ্রদজ in স্ব-মন্তব্য.add a comment
এই লেখাটা আরো আগেই লিখতাম, কিন্তু সময়ের অভাবে আগে পারিনি। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে একটা লেখা লিখেছিলাম যাতে সামহোয়্যারইন ব্লগে অনেক কটু ভাষার মন্তব্য পেয়েছি। না মাইন্ড করিনি। কেননা প্রত্যেকেরই স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার আছে। কিন্তু সেই লেখা থেকে যেটা অনুধাবন করতে পারলাম সেটা হলো, অনেক বাংলাদেশীই ভারতকে সহ্য করতে পারেন না। যে কোনো অঘটন ঘটলে দোষটা আওয়ামীদের আর তাদের ভারতীয় বন্ধুদের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলেন। যে দেশটি বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণকে ঠাঁই দিল পাকিস্তানীদের থেকে বাঁচার জন্য ১৯৭১ সালে তাদেরকে আমরা এখন শত্রু ভাবি? যাদের সহযোগিতায় আমরা মুক্তিযুদ্ধ নয় মাসে জিতে আসতে পেরেছি সেই দেশকে আমরা বিপক্ষ ভাবি? অথচ যে দেশের থেকে আমরা মুক্তির জন্য লড়াই করলাম সেই দেশকে আমরা ঠিকই সমর্থন করছি আজদের দিনে। সেই চিত্র খুবই স্পষ্ট যেকোনো ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের সময়।
তাই শেষে একটা জিনিস মাথায় আসল, আর সেটা চ্যালেঞ্জের মতো ছুড়ে দিতে চাই তাদেরকে যারা মনে করেন ভারতই আমাদের প্রকৃত শত্রু (অন্যদের নয় কিন্তু)। আপনি যদি ভারতকে শত্রু মনে করেন, তাহলে বর্জন করুন ওদের। ওদের দেশের হিন্দি ছায়াছবি থেকে শুরু করে হিন্দি গান, হিন্দি ভাষা (যা এখন অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাটকেও ব্যবহৃত হয়), সর্বোপরি ভারতের যেসব জিনিস নিজেদের তা দেখা, শোনা, বলা, পড়া, করা থেকে বিরত রাখুন নিজেকে। শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার করা কি ঠিক, বলুন? হায় রে বাংলাদেশ! রক্ত দিলি বাংলা ভাষার জন্য আর এখন চলে হিন্দি সারা দেশব্যাপী।
তাহলে আসুন, চ্যালেঞ্জ করুন নিজেকে শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত তাখবেন। আর যদি না পারেন, তাহলে তো “যেই লাউ, সেই কদু”!
পাজল তো মিলছে! ফেব্রুয়ারি 28, 2009
Posted by পাপ্রদজ in স্ব-মন্তব্য.1 comment so far
এই সপ্তাহের বহুল আলোচিত ২৫শে ফেব্রুয়ারীর ঘটনাকে নিয়ে নানা লেখালেখি দেখলাম। পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া সেসব স্থাণেও দেখলাম ভালোই কভার করছে খবরটাকে। বিডিআরের একাংশ হঠাৎ করে এমন একটা বিদ্রোহ কেন করল-এটাই এখন সবার প্রশ্ন?
প্রশ্নটা আমারও। কিন্তু উত্তর খুঁজতে বেশী সময় লাগলো না, কারণ একটা সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে এর একটা ধারণা পেলাম। জামায়াতের ইন্ধনেই নাকি এই ঘটানাটি ঘটানো হয়েছে। পেছনকার নায়ক (নাকি ভিলেন?) ছিলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, ওরফে সাকা চৌধুরী। খবরটি সিএনএন-আইবিএনের মাধ্যমে বিডিনিউজ২৪.কম থেকে জানলাম।
অনেকে এটি বিশ্বাস করছেন না, অনেকে বা এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও আখ্যা দিচ্ছেন। খোদ জামায়াত এবং সাকা চৌধুরীও এর তীব্র বিরোধীতা করেছেন। কিন্তু কিছু কারণে কিন্তু এদের প্রতি সন্দেহটা বেড়ে যায়।
যুদ্ধাপরাধী ইস্যুটা নিয়ে দেশে যেরকম আলোড়ন চলছে তাতে জামায়াত নির্বাচনের পরে প্রায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীন দলও যুদ্ধাপরাধীদের পাকড়ানো শুরু করেছে ইতিমধ্যে। এমতাবস্থায় জামায়াত নিশ্চয়ই পথ খুঁজবে নিজেদের বিনাশ থেকে রক্ষা করতে। আর তা করতে একটা মিলিটারী ঝামেলা লাগিয়ে (পূর্বের ইতিহাসগুলোর মতো) দেশ থেকে হয়তবা আইন-শৃঙ্খলা নষ্ট করে সরকারের মনযোগ অন্যদিকে নিয়ে যাবে অথবা সরকারকে এই সমস্যা সামলাতে না পেরেছে অজুহাতে উৎখাত করার একটা চেষ্টা করবে। আর সেটাতে সাকা চৌধুরীর হাত থাকার কারণ আরো বেশী আসে কারণ বিএনপির একজন প্রথমসারির নেতা ইনি যাকে দেশের অনেক পাবলিকই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে জানে।
লক্ষ্যে কতটা সফল হতে পেরেছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া কোনো কিছুই সুস্পষ্ট করে বলা যাবে না। আর একটা বিষয়ও আমার মাথায় ঘোরপাক খাচ্ছিল যে, একটা বাহিনী তাদের অধিকার, ন্যায্য প্রাপ্যের দাবীতে কি কখনো এমনকরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ড চালাবে, এমনকি কিছু নিরপেক্ষ মানুষের উপরেও। ক্ষোভ যদি তাদের থেকেই থাকে তাহলে তো আর্মিদের ওপরে থাকবে। এর সাথে আজ আরো জানতে পারলাম বাংলাভিশনের খবরে যে, সেসময় একটি ধূসর রঙের গাড়িতে করে কারা যেন এসে মদদ/উসকে দিয়েছিল বিডিআরের লোকদের। কারা ছিল এরা? এদের নাকি কোনো ইউনিফর্মও ছিল না। সাধারণ বিডিআর বাহিনীর লোক না হলে কারা ছিল এইসব লোকজন?
এই সকল প্রশ্নের উত্তরে তো সেই একই উত্তর আমি খুঁজে পাই। ছকটা মিলিয়ে দেখলে সিএনএন-আইবিএনের খবরের সত্যতা একেবারে মিলে যাচ্ছে। তবে হ্যাঁ, সুষ্ঠু তদন্ত করে এর পেছনে যারা ছিল (যদি সংসদ সদস্যও হয়) তাদের সকলের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় সেটাই চাইব।
পাঠক কি মনে করেন? আমার অনুমানের সাথে কি আপনি একমত? না হলে, আপনার যুক্তিগুলোও উপস্থাপণ করবেন।
This is going unnoticed! ফেব্রুয়ারি 27, 2009
Posted by পাপ্রদজ in Daily Life.1 comment so far
This week was a hefty week for me as I had to go to the local DMV office twice to fasten the process to get my driving license. I went two consecutive days to resolve the problem with the delay of my receiving the driving license.
The local DMV office is in Jamaica which is quite far from my home. When returning from the office in a slow pace, I noticed that a fire hydrant that was leaked and drops of water was falling from it. Since it was very cold in the week, the dripping water froze and crystallized over the hydrant. The strange irony is that the fire hydrant was in less than two blocks away from the local police station. In that area, polices are walking down all the time. I can’t recall exactly which street it was, but I believe it is between 165 to 170 street and Jamaica Avenue.
I could not understand why it went unnoticed by the authority like the NYPD. And in the two days I went to that area, the same had been going on continuously. People are passing by without bothering to do something about the matter. I felt that “where is the local authority?” Is this really going unnoticed by everyone except me???
একুশে ফেব্রুয়ারীতে লিখলাম ফেব্রুয়ারি 21, 2009
Posted by পাপ্রদজ in স্ব-মন্তব্য.add a comment
অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম লিখব ব্লগটাতে, কিন্তু সময়ই করে উঠতে পারছিলাম না। অবশেষে আজ ভাষা দিবসের মাহেন্দ্রক্ষণে না লিখা অন্যায় হবে, এই ভেবে লিখছি। যাদের আত্মত্যাগে এই বাংলায় লিখতে পারছি তাদের আত্মত্যাগকে অসম্মান করা হবে যদি আজকের ক্ষণে না লিখি। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও আজ লিখছি। বিষয় তেমন কিছু না, তবে আবার গুরুত্বপূর্ণও কেননা আজ সালাম/রফিক/বরকতদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যা পাচ্ছি তা নিয়ে কিছু বলব।
সেদিন উকিলের অফিসে গেলাম বাবা-মাকে নিয়ে ট্যাক্স ফাইল করতে হবে। মোটামুটি বড়ই লাইন ছিল, তাই অপেক্ষা করতে হলো অনেকক্ষণ। দেখলাম এক মহিলা (দেখে তো মনে হলো বাঙালীই) কিন্তু কথা বলছিল ইংরেজীতে ফোনে। মনে করলাম হয়তো বা তাহলে দক্ষিণ এশীয়ই হবে (চেহারাতে তো তাই বলে)। যা হোক, কিছুক্ষণ পরে ওনার এক বোন আসলো ট্যাক্স ফাইল করতে। উনিও বোনের সাথে ইংরেজীতেই কথা বলছেন। আমরা (আমি, বাবা-মা) যখন কথা বলছিলাম আমাদের দিকে কেমন যেন বিদ্রুপাত্মক দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল। যাক গে! কিছুক্ষণ পরে দেখি উকিলের স্ত্রী এসে আমাদের বলছেন চা-কফি কিছু খেতে আর ওনাদেরকেও বলছেন। একি বাংলাতে বলছেন, আর ওনারাও বুঝছেন! ওনারা কি বাংলা বোঝেন, না তাই নয় তো! ওনারা তো বাংলা বলতেও পারেন। উকিলের স্ত্রীর সাথে তো বাংলাতেই বলছেন। একি তাহলে বোনে বোনে এমন করে ইংরেজীতে বলছিলেন কেন?
কিছুক্ষণ পরে বুঝলাম এরা বাংলাদেশেরই লোকজন। বিদেশে এসে বদলে গেছেন। ভাই-বোন, বা এমনকি ছেলে-মেয়ের সাথেও (ফোনে সম্ভবত ছেলের সাথে বলছিলেন) ইংরেজীতে! এই কি আমার মায়ের ভাষা? এই কি তাদের মায়ের ভাষা? এর জন্যই কি ওরা রক্ত দিয়ে গেছে? আরে, আমরা কি ইংরেজী জানি না নাকি ইংরেজী বলে জাহির করতে হবে ওনারা ইংরেজী জানেন? বুঝি না এদের মনস্তত্ত্ব।
এ তো গেলো বিদেশের “নব্য বাঙালীদের” কথা, যারা নিজেদের পরিচয় বাঙালীই দিতে চায় না। সুদূর মাটিতে পরে নিজেদেরকে ভিনদেশী হিসেবে দেখাতে চায় অন্যদের কাছে। কিন্তু সেদিন খবরে দেখলাম (এখন বেশী দেখা হয় না, মাঝে মধ্যে উইকেন্ডেতে দেখি বাবার সাথে) এক রিপোর্টার রিপোর্ট করছেন বাংলাদেশের (বিশেষ করে ঢাকার) স্কুলগুলোর যেখানে ইংরেজী মাধ্যমের কিছু বাচ্চাদের মধ্যে জানতে চাওয়া হলো তারা জানে নাকি বাংলার মাহাত্ম্য। একজনকে জিজ্ঞেস করলো, বাংলা মাসগুলোর নাম বলতে। জৈষ্ঠ্য বলে আর আওড়াতে পারছে না। আরেকজনকে বলে, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কে? বলে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হায় রে কপাল! এই প্রজন্মের জন্যই কি আমাদের ভাইয়েরা রক্ত দিয়েছিল পাকিস্তানীদের সামনে? এই ফল পাবার আশায়? দেশে-বিদেশে এই হাল হচ্ছে আর আমরা বাংলা ভাষা-ভাষীরা কি চেয়ে চেয়ে দেখব বাংলার এমন করুণ দশা?
3 things on the same day! ফেব্রুয়ারি 21, 2009
Posted by পাপ্রদজ in Daily Life.add a comment
This is another quite a strange coincidence that 3 incidents happened or I have observed that really made me laugh and feel sad as well.
This also happened when I was coming home from college after a long day (college work seems tiring at times). As I was getting on the “E” train as quickly as possible after getting off the bus, I noticed a lot of people were rushing as well. I have seen a Chinese man & woman (probably husband-wife, as it seemed) in the bus that I was in. They bought a huge painting (again, as it seemed) and was carrying it with them. As people were rushing to catch the train, the man also ran with the painting in his hands. The lady could not manage to be fast enough to enter the train while the man was. As a result, the guy was stumped! He got on while his wife was watching the train leaving the station. WOW! What a confusion! I felt pity after laughing about it in my mind as the guy and the lady were old (probably in their 60s). Well, what can you do? The man got off the train in the next station. I just hope they can find each other.
The next thing was in the “7″ train. A bum (as it seemed, the guy was having a drink, coffee maybe, but may have had beer or something before) was uttering words that it was very obvious that he was drunk in the evening time. As he finished the coffee, he was about to throw it out. But didn’t know where to throw it. He decided in his mind to throw it in a garbage can in the next station. When the door opened, he quickly ran to the garbage can, threw it, but couldn’t return. As you may know, bums usually have a bag full of their stuff in it to survive. Ouch! He missed the train. His stuff went with the train as he was almost speechless!
Next thing was when I was exiting the train station. A black guy was swiping his MetroCard to get in while a Chinese guy got off in the same turnstile. Oops! The black guy just missed his $2. The man was shouting to the Chinese but well what can you do?
Things like these can happen any day, anytime, anywhere. If you are cautious, things like these won’t happen to you.
This is human! জানুয়ারি 29, 2009
Posted by পাপ্রদজ in Daily Life.add a comment
No. No. Don’t think I’m going to talk about something strange in the negative sense. Rather I’ll be writing about something that I observed yesterday.
It struck me quite a bit as such nature in human beings are very rare in our everyday life nowadays. But it happens. This happens because if we all had lost our morals, then this world would have been diminished a lot earlier.
It was yesterday when I was riding on the train to come home from college. As usual, I got on the “F” train (if I had caught the “E” train, I would’ve come home faster as it is mostly express). Nevertheless, I was tying my umbrella as it was wet and I didn’t want the water from it to drop on the subway car. Since it was a rainy day, most people seemed tired. But when I glanced at the side of my seat I saw a black man observing water in a seat (probably from someone’s umbrella) for quite some time. After a while, he used his newspaper that he was reading page-by-page to wash off the water from the seat so that someone can sit on it later.
This sort of humane characteristic of the man really amazed me. There were a lot of people in the subway. But no one cared anything about it since it did not bother them. Why would this man do it if this is not from his good nature? Such incidents that happen in our lives are very rare to find, but it happens if we look closely. I guess, I was the only one to have noticed his action as most people are busy with their own self.
এক চালাক বালকের অপরাধ স্বীকার জানুয়ারি 8, 2009
Posted by পাপ্রদজ in কৌতুক.add a comment
ছোট্ট বালক মিঠু তার জন্মদিনে মা কি দিবে সেটা মনে করিয়ে দিতে রান্নাঘরে গেল। মাকে বলল, “মা, আমি আমার জন্মদিনে একটা সাইকেল চাই।” এমনিতেই মিঠু দুষ্ট প্রকৃতির বালক একে স্কুলে, আবার ঘরেও। মা ওকে বলল, “তোমার রুমে যাও মিঠু এবং চিন্তা করো তুমি কেমন আচরণ করেছ গত বছরে। তারপর ঈশ্বরের নিকট চিঠি লিখ এবং তাকে বলো কেন তুমি একটা উপহার চাও তোমার জন্মদিনে।”
এই শুনে সঙ্গে সঙ্গে মিঠু নিজ রুমে গিয়ে চিঠি লিখতে বসে গেল।
চিঠি-১
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি এই বছরটিতে খুব ভালো একটি ছেলে ছিলাম এবং আমার জন্মদিনে একটা লাল রঙের সাইকেল পেতে চাই।
তোমারই বন্ধু,
মিঠু
মিঠু জানত এ কথা সত্য নয়। ও সারা বছরে খুব ভালো ছেলের মতো আচরণ করেনি। এই ভেবে ও সঙ্গে সঙ্গে চিঠিখানা ছিঁড়ে ফেলল।
চিঠি-২
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি তোমার বন্ধু মিঠু। আমি সারা বছরে একটি ভালো ছেলে ছিলাম। আমি আমার এবারের জন্মদিনে একটা লাল সাইকেল চাই।
ধন্যবাদ।
তোমার বন্ধু
মিঠু
মিঠু জানত এও সত্য নয়। তাই এটিকেও ও ছিঁড়ে ফেলল।
চিঠি-৩
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি এ বছর “ওকে” টাইপের ছেলে ছিলাম। আমি তাও একটি সাইকেল চাই আমার এবারের জন্মদিনে।
মিঠু
মিঠু এটিও সঠিক নয় ভেবে এটিকেও ছিঁড়ে ফেলল।
চিঠি-৪
ঈশ্বর,
আমি জানি গেল বছর আমি তেমন ভালো ছেলে ছিলাম না। আমি লজ্জিত। কিন্তু তুমি যদি আমাকে একটা সাইকেলের বন্দোবস্ত করো তাহলে আমি ভালো ছেলে হয়ে যাব। প্লিজ!
ধন্যবাদ
মিঠু
মিঠু জানত যদিও এই চিঠিখানা সত্যি হলেও হতে পারে, কিন্তু এমন চিঠি তাকে সাইকেল পেতে কোনোরকম সাহায্য করবে না। শীঘ্রই ও নিচে নেমে মাকে বলল ও এখন গীর্জায় যাবে। মা ভাবল ছেলে মনে হয় এবার সুপথে আসবে। মা শুধু বলল, “ঠিক আছে। কিন্তু দুপুরের খাবারের আগেই ঘরে ফিরবে।”
মিঠু গীর্জার বেদিতে গিয়ে উঠল। আশপাশে দেখে নিল কেউ আছে কিনা। কেউ নেই দেখে মিঠু মেরীর একটা মূর্তি নিয়ে ছুটল। হাতের ফাঁকে নিয়ে গীর্জা থেকে পালালো।
নিজ রুমে পৌঁছেই খাতা-কলম নিয়ে চিঠি লিখতে বসল।
চিঠি-৫
ঈশ্বর,
আমি তোমার মাকে কিডন্যাপ করেছি। তুমি যদি তাকে পেতে চাও, সাইকেল পাঠিয়ে দাও!!!
সূত্র: তড়িৎ বার্তা
দুই বয়স্ক মহিলা জানুয়ারি 7, 2009
Posted by পাপ্রদজ in কৌতুক.add a comment
দুইজন বয়স্ক মহিলা রিটায়ারমেন্ট সেন্টার বসে আছেন। একজন অপরজনকে বলছেন, “বুঝলেন আপা, আমার এখন ৮৩ বছর এবং আমি এখন প্রতিনিয়ত নানা ধরনের ব্যথা-বেদনার মধ্যে থাকি। আপনারও তো আমারই মতো বয়স। আপনার কেমন লাগে এই বয়সে?”
অপরজন উত্তরে বলল, “আমার একদম নতুন শিশুর মতো লাগে।”
“আসলেই?”, অন্যজন অবাক হয়ে বলল।
তখন ওইজন বলল, “হ্যাঁ। দাঁত নেই, চুল নেই, এবং এই বোধহয় আমি … করে দিয়েছি!”
সূত্র: তড়িৎ বার্তা